শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৪

Posted by এম.জামান |
তুমি কি দিয়ে অনুবাদ করবে আমাদের এই চুমু কে
সভ্যতা খসে পড়বে চূর্ণ হবে চন্দন
তবু পারবে না ভালোবাসার সংবিধান 
এক চুল এদিক ওদিক করতে ।
রাষ্ট্রের মুকুটে চুমু ,গোপন ত্রিভুজে চুমু , অনামিকার পাথরে চুমু
এত চুমুর ভাগাভাগি কষাই কিনে কুলাবে কি?

তার চেয়ে চল যাই নিকট জলের কাছে 
পাড় ভেঙ্গে দেই জোড়া ঠোঁটের ঢেউয়ে ।

বুধবার, ২৮ মে, ২০১৪

Posted by এম.জামান |
আহা! মিশর একমাত্র তুমিই 
দেখিয়ে দিয়েছ মৃত্যু সেও শিল্প ।
এখানে মরা মানেই তো 
এক তাল মাটির ভেতর সেঁধিয়ে যাওয়া
নইলে গনগনে আগুনের আঁচে 
শরীরের শেষ দেখা ছাই।

সুন্দর হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়াও তো মৃত্যু 
কারুময় গির্জা তোমার ভেতরে 
কেন ঝুলে থাকে পেরেকে গাঁথা অসুন্দর?
Posted by এম.জামান |
গোরস্থানের চাঁদা তুলে কেউ যদি
নতুন পাঞ্জাবি কেনে
পাপ দেখিনা তাতে, এত এত কবর কে চায়?

ডানে বামে ,সামনে পেছনে বেড়েই চলেছে
প্রার্থনাঘর ,একসাথে সব আর্তনাদ করে 
"কল্যাণের পথে এস"
বুড়োদের যাত্রা দেখি ঘন হয়ে ওঠে।
পাপ ধুয়ে ফেলার বয়স আসেনি 
শুভ্র ভোর দেখি তাই ,
উঁচু মিনারে বসা কাকের করুণ কালো ডাক শুনি।

সোমবার, ২৬ মে, ২০১৪

Posted by এম.জামান |
মিথ্যে কথা ছাড়া মান থাকে না আমার
দু কাঠি বাড়িয়ে না বল্লে পাল্লা দেয়া 
মুশকিল হয়ে যায়,

মেঘলা বিকেলে চা খেতে এলে কেউ
পাশের বাড়ি ধার করি,
এক জোড়া কাপের সংকটে যদি সত্যি বলি
বেতনের অঙ্কটা ধরা পরে ।
শুনলাম সত্যি কথা বলার ব্যায়াম আছে 
কোর্স আছে? কত নেবে?

রবিবার, ২৫ মে, ২০১৪

Posted by এম.জামান |
অসুখ অসুখ করে ফিরে গেছে প্রেম
বোতলে বোতলে জল তুলে দেখি 
রূপসা অভিমান করে,
বাড়ির পর বাড়ি তারপর সে ছাদ
টবে টবে হেসে আছে পরদেশী ফুল
গোপন জামা বাতাসে গেছে উড়ে।

আমাদের ছাদে কেউ বসেনা সঞ্চয়িতা খুলে
দূরের কোন উনুনে ডালের ফোড়ন
গৃহঘ্রাণ এনে দেয় মনে,
লেবু লেবু করে গলি পার হয় ফেরিওয়ালা
তুলো বেচা কেনার দিন শেষ হলেই জানি
তোমরা আস ছাদের কোণে।

লম্বা লম্বা দুপুর মানেই বিরহি প্রেম
শিমুলের ফুলে আদর খোঁজে
রূপসার জলে তাই রূপচাঁদা সংসার পাতে,
টবের বদলে এখন সে ছাদে আচারের বোয়াম
নতুন যারা তারা ফুল ভালোবাসেনা
ছাদের চাবিও খোয়া গেছে বেহাতে। 
Posted by এম.জামান |
শীত শেষ হলেই তুলো চাষ জমে ওঠে
কোকিলে কোকিলে মিলন ঘটে
দীর্ঘ রাতের হিম মেখে মন ছটফট করে
আমার কোকিল নাই বনে।

চাঁদের রাতে তৃষ্ণা বাড়ে শুন্য গৃহে 
যমুনার জল বনবাসে একলা বহে
মেঘের দিন আসবে সেও তো অনেক পরে
আমার বৃষ্টি নাই মনে।
Posted by এম.জামান |
মন খুব টানছিল জান জানিনা কোন গ্রহের উৎপাতে
একে ওকে জিজ্ঞেস করে জানলাম 
তুমি নাকি দেশেই নেই।

সে কোন পাহাড়ের দেশে গিয়েছ বহুদিনের জন্য
চোখের যে তেষ্টা পায় গো 
দূর থেকে ঘ্রাণ নিয়ে নিয়ে জানি তো 
ভাল আছ, বেশ আছ দূরেতেই।
Posted by এম.জামান |
মাঝ দুপুরে খুঁজে দেখি ডাব বিক্রি থেমে গেছে
রিক্সা বিশ্রাম নিয়েছে প্রাচীরের ছায়ায়
সুন্দর সব চোখ ঢেকে আছে রোদ চশমায়।

রূপসার জল বেড়াতে গেছে
উঁচু কোন বারান্দা থেকে কাপড় মেলার জল ছেঁটে
ভুল পিপাসায় বালিতে জল খোঁজা 
আমাদের কবে শেষ হবে ।
                                              
Posted by এম.জামান |
ফুল ঝড়ে  গেলেই কিনে নেবে কাঠুরে
বুড়ো কৃষ্ণচূড়া ; 
সমঝোতা শেষে এই হল বিচার
ওদের চাই কয়লা পোড়াবে কাবাব।
Posted by এম.জামান |
উঁচু করে দিয়ো ছাদের দেয়াল
আমার স্লিভলেস হাতে 
কি সন্ধানে মেতে থাকে ওরা কে জানে ।
শুনেছি এবার খরা হবে খুব
আর্মি কাটে হাত পাকাবে নাপিত,
হয়ত বিছানা থেকে সরে যাবে তোমার 
মধ্যবয়সী উন্মাদনা , ফসলের মাঠ
বিরহী বেদনায় কাতরাবে।

পাখিদের জল দিতে হবে ।
এত এত কথা কে লিখে রাখে দেয়ালে?
দর্জি বাড়ি খান দশেক জামা আর ও
স্লিভলেস করে নিতে হবে।
Posted by এম.জামান |
বোতাম খুলে রেখেছি আয়না নেই বলে
চোখ তুলে রেখেছি তুমি নেই বলে,
হৃদয় উপড়ে ফেলেছি 
মানুষ নেই কোথাও বলে।
Posted by এম.জামান |
নাগাল পেলে কি হত 
এই দূর কাঙ্গালপনা মরে যেত
লোহাকে আঁকড়ে হীরে খুঁজে পেতে
স্বাদ সয়ে গেছে মনে।

তল এঁকে শিখেছিলাম জ্যামিতি বই ছিল বলে
বিয়োগ শিখতে গিয়ে বাদ দিতে হত 
আমি তাও ভুল করে যোগ দিয়ে ফেলতাম কি করে
তল কি খুঁজে পেলাম বল আজও 
খালিতো বিয়োগ অঙ্কে আমি হয়ে গেলাম পাকা।
Posted by এম.জামান |
কোন না কোন ভাবেই তুমি বন্দি হয়ে আছ
প্রকান্ড সব দেয়ালে আটকে আছ
পারছ না টপকাতে সীমানা।
বিষের মত গরম পুড়িয়ে মারছে 
তোমার শীতল আত্মাদের
পবিত্র বাক্য উচ্চারণ করেও
তুমি জল পাবে না।

সুখের তাবিজ বেঁধেও কি এড়াতে পারছ
জীবনের কাঁটা ভয়?
যতক্ষণ আটকে আছ মীনের মত জালে লাফাবেই 
স্যাত স্যাতে বিপ্লবে তোমার পা পিছলাবেই।

এক একটা রিপু কষাই এর মত বেঁচে দেবে 
তোমায় খোলা হাটে,
পথ কেনা শেষে দেখবে কয়েদ খানায়
কেটে গেল তোমার সকাল ,দুপুর ,সন্ধ্যে।

বিশুদ্ধ জন্মের ইতিহাস জানাজানি হয়ে গেলে 
বুঝবে তুমিও ন্যাংটো রাতের শেকল 
তোমার, আমার  সকলের পা'য় ।
Posted by এম.জামান |
কলঙ্ক মেখে মনে গিয়েছি মন্দিরে

প্রসাদ খেয়েছি  চন্দন তিলা নিয়ে

গোলাপজল ছিটিয়ে গায়ে মিলাদে বসেছি

হাত তুলে খোদার কাছে বুক ভরে কেঁদেছি।

আমার ধর্ম গেছেই কবে

তোদের মত তবু অধর্মের সাথে বাণিজ্য করি না 

হিংসা বেচি না দালালের ঘাটে।
Posted by এম.জামান |
ওদের আম বাগানে পাতা আছে বাঁশের চাড়
যেতে ইচ্ছে হয় খুব, উকুন বেঁছে গল্প 
আর হেঁসেলের খবর নিতে ইচ্ছে হয়।
নানান রঙের সুতো কেনার মেলা জমে
এক একটা দুপুরে, বাকি শোধ হবে বর্ষার দিনে
তবু কি হাসি মুখ ফেরিওলার।

ওরা জানেনা টম ক্রুজের নাম 
দেখেনি নক্সা করা বুক জামা
কার ছাগল কবে দেবে বাচ্চা নেবে বর্গা
এই হিসেব করেই কাটে অবসর আড্ডা।
ওদের মত আমার ও দিতে ইচ্ছে করে
আম বাগানে আড্ডা।
ভুলে যেতে ইচ্ছে করে নগরের উপেক্ষা। 
Posted by এম.জামান |
ও মেঘ, তুই কিসের এত নিলি আড়ি
সাত রঙের ঘোড়া করে পালকি
দিলাম তোর বাপের বাড়ি
আয়না তুই, দেব ঢাকাই শাড়ি।
Posted by এম.জামান |
খিচুড়ি রেঁধো, সাথে মুগ ডাল
ঘি কি আছে বাসায়?
নাকি যাবে একটু বউদির বাসায়।
আহা, বেগুন ভাজা হলে বেশ হয়
ডিম ভাজা রেখ কিন্তু পাতের কোনায়।

এই বাদলে দাদা, খিচুড়ি ছাড়া কি মানায়!
বউরা ভিজেছে আজ ছাদের জলসায়।
কুমারি মেয়ের শুধু ঢাকা ছিল বুক
মনে ছিল অষ্টাদশী প্রেমের সুখ!

যান না দাদা, ওরম করে দেখবেন না 
মেঘদূত পড়ে জেনে নিন না 
"তস্য স্থিত্বা কথমপি পুর; কৌতুকাধানহেতো- "