মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৩

Posted by এম.জামান |
দোকানের পাল্লা নামছে ভয়ার্ত আওয়াজে 
খালি রিক্সা ছুটে যাচ্ছে 
কাঁধের গামছা যেন পাখা হয়ে উড়ে চলছে তার।
গৃহিণীরা উঁকি দিয়ে দেখে নিল 
হালি খানেক ডিম আর কাঁচা মরিচ 
আছে কিনা; 
এমন রাত ভয়ের সাথে এনে দিল
মুঠ মুঠ আনন্দ, আহা চোখে গেল বালি
নাহ সোজাসুজি কাঁদি আজ ।
একদম সোজাসুজি বলি আজ 
হোক না কাল সকালে পটকা বাজি
"আমি কি ডরাই সখী ভিখারি রাঘবে"
Posted by এম.জামান |
শাল দিও ঘিয়ে রঙের খুব করে শীত নামে 
সন্ধ্যের নিকটে ;
ঘানি উজার করে সরষের তেল এনো
জলপাই ডুবিয়ে দেব চিলেকোঠার 
কোল ঘেঁষে।
পাশের বাড়ি পানচিনি হয়ে গেল 
টোল পড়া মেয়েটির;
সবাই বলে শীতের বিয়ে কাছের হয়।
থাক থাক বিয়ে নয় তুমি 
এস আগামি শীতে মাঠ ভরা মটর ক্ষেতে
কুয়াশা সকালে ।

শনিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৩

Posted by এম.জামান |
আমি খুব অল্প গালাগালি জানি কারণ
জন্ম পালিশ করা শহরের উঁচু খাঁচায়
চলতে ফিরতে শোনা গালি কান লাল 
করে দিয়েছে বিস্তর কিন্তু আমার উচ্চারন
করতে বিষম লাগে ,পারিবারিক ঝগড়া
গালাগালির উত্তম খামার!
বস্তিতেও গালাগালি জন্ম নেয় রোজ 
ওখানে সেন্সর বোর্ড নিজেই সেন্সর হয়ে যায়।
আমার আজকাল অনেক কিছু মুখ দিয়ে বের 
হয়ে যাচ্ছে; সবচেয়ে বাজে শব্দ ও এখন 
মানিয়ে যাচ্ছে লিপিস্টিক করা ঠোঁটে!

আজকাল সব্বাইকে গালাগালি করতে দেখি
অফিসে ,রেস্তরাঁয় ,বাসে ,বেডরুমে সবখানে 
গালাগালির আচার খাচ্ছে ।
আমিও ভাগ বসাই আঙুল ডুবিয়ে
কুত্তার বাচ্চা ,হালার পো হালা , * * * ...
আহ কি আরাম লাগে গালাগালি দিলে 
আমাকেও দিও আরাম করে গালাগালি 
এখানে স্বাধীনতা সমান সমান ।

শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৩

Posted by এম.জামান |
আমার বেসামাল দিনগুলোতে ওয়াইন রঙ 
এর মত চারিদিকে এলানো ছিল নেশাগ্রস্থ প্রেম
পিন খুলে খুলে দেখিয়ে ছিলাম শেষ বোতামের
ঘরে লেগে থাকা গোলাপি বাসর!
পাপোষে একতিল জায়গাও ছিল না 
ফুলদানী উপচে হুমড়ি খেয়ে মরছিল 
পরদেশী ফুলের শরীর - ঠিক তাই ;
অহেতুক খরচ হয়ে যাচ্ছিল চোখের পলক
পায়ের নূপুর কান খাড়া করে শুনত অতলের আগমন
আমার বেসামাল দিন উত্তাপ মাখা রাত 
বিনে ভালোবাসাতেই মাতাল হতো 
অসম হিলের তালে হোঁচট খেত 
তখন আমি পুষ্প ছিলাম কোমল ছিলাম 
ভ্রমর আসার আওয়াজ পেতাম 
তখন আমি দীঘি ছিলাম জলের ভেতর 
নির্ঝর ছিলাম ;আর একটু বেশি গভীর ছিলাম।

এখন আমি শুধুই মাটির রাধা হলাম

পুণ্য ছোঁয়ার লোভে নিজের সুরুভি 
                         ছিপি দিলাম!